DaTabase মেনেজমেন্ট System এর A-Z জানুন এই পোষ্টে(পার্ট-১) - AmarTrick24.Com

DaTabase মেনেজমেন্ট System এর A-Z জানুন এই পোষ্টে(পার্ট-১)

Trickbd.Com এর সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই….☺☺।আর আজকে থেকে আপনাদের সামনে আমি ডাটাবেস মেনেজমেন্ট সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করব….আপনাদের সবার কাছে এই বিষয়টি তেমন বোধগম্য নয়…তাই এই পোষ্টটি ভালভাবে পড়বেন..এর মাধ্যমে আপনি SQl থেকে শুরু করে সকল ডাটা ল্যাংগুয়েজ সম্পর্কে জানতে পারবেন…☺☺
আজকে ডাটাবেসের কিছু বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা করব;)

ডেটাবেজ (Database) হল কোন কম্পিউটার সিস্টেমে সঞ্চিত উপাত্ত বা রেকর্ডসমূহের একটি কাঠামোবদ্ধ সংগ্রহ। উপাত্তকে একটি উপাত্ত মডেল অনুসারে সাজিয়ে এই কাঠামোটি অর্জন করা হয়। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত উপাত্ত মডেল হল সাম্পর্কিক বা রিলেশনাল মডেল। অন্যান্য মডেল, যেমন স্তরক্রমিক বা হায়ারার্কিকাল মডেল এবং নেটওয়ার্ক মডেল, উপাত্তসমূহের মধ্যকার সম্পর্ক অপেক্ষাকৃত স্পষ্টভাবে উপস্থাপন (explicit representation) করে😉

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম


ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হল সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রিত একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ডাটাবেস পরিচালনা, তথ্যের স্থান সংকুলান, নিরাপত্তা, ব্যাকআপ, তথ্য সংগ্রহের অনুমতি ইত্যাদি নির্ধারণ করা হয়। কিছু জনপ্রিয় ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হল ওরাকল,এসকিউএল,এসকিউএল-লাইট, মাইএসকিউএল,পোস্টজিআরই-এসকিউএল,মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার,আইবিএম ডিবি২,মাইক্রোসফট এক্সেস। একটি ডাটাবেস বিভিন্ন রকমের ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ব্যবহার করা যায়না তবে এসকিউএল সহ কিছু স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে একই অ্যাপ্লিকেশনে বিভিন্ন সিস্টেম একসাথে ব্যবহার করা যায়।

ব্যবহার

ডাটাবেজ ব্যবহৃত হয় আভ্যন্তরীন কার্যক্রম পরিচালনা সমর্থনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক এবং অনলাইনে ক্রেতা এবং সরবরাহকারীদের সাথে সম্পর্ক তৈরীর উদ্দেশ্য।

ডাটাবেজে প্রসাশনিক তথ্য এবং বিশেষায়িত ডাটা থাকে যেমন ইঞ্জিনিয়ারিং ডাটা অথবা অর্থনৈতিক মডেলসমূহ। ডাটাবেজের ব্যবহারের উদাহরণ হল কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত লাইব্রেরি ব্যবস্থা, ফ্লাইট সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পার্টস ইনভেন্টরি সিস্টেম।☺

ডাটাবেস ব্যবস্থাপনা প্রণালির এলাকাসমূহ

  • ব্যাংকিং: ক্রেতা, একাউন্ট, ঋণ এবং লেনদেনের তথ্যের জন্য
  • বিমান: আসন সংরক্ষণ, সময়সূচির তথ্য ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে। সর্ব প্রথম ডেটাবেস ব্যবহারকারীদের মধ্যে বৈমানিক কাজের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ডেটাবেজ অন্যতম। সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের টার্মিনালগুলো একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজের সাথে যুক্ত থাকত ফোন লাইন বা অন্যান্য ডাটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।
  • বিশ্ববিদ্যালয়: ছাত্র-ছাত্রীদের তথ্য, কোর্সের নিবন্ধন ও গ্রেড জানার জন্য
  • ক্রেডিট কার্ড লেনদেন: ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ক্রয়, লেনদেন ও মাসিক বিবরণী প্রস্তুুতের উদ্দেশ্যে
  • টেলিকমিউনিকেশন: কলের তথ্য রাখার জন্য, মাসিক বিল প্রস্তুত, প্রিপেইড কল কার্ডের ব্যালেন্স রাখা এবং যোগাযোগ নেটওয়ার্কের তথ্য সংরক্ষনের জন্য।
    আর্থিক: আর্থিক তথ্য যেমন বিক্রয়, ক্রয়, জমা, স্টক এবং বন্ডের হিসাব সংরক্ষণ
  • বিক্রয়: ক্রেতা, পণ্য, ক্রয়ের তথ্য ধারনের উদ্দেশ্যে
    প্রস্তুতকরণ: সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা এবং কারখানায় উৎপাদনের তথ্য ধারন, ওয়ারহাউজ বা গুদামে ইনভেন্টরি বা ম্যাটেরিয়ালের তথ্য, ফরমায়েসকৃত পণ্যের তথ্য সংরক্ষণ ইত্যাদি
  • মানব সম্পদ: কর্মচারীদের তথ্য, বেতন, ট্যাক্স, ভাতা, চেক প্রদানের তথ্য এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধার তথ্য ধারন।
  • আজ এতটুকু….আগামি পর্বে SQL Language নিয়ে আলোচনা করব….☺
    ভাল থাইকেন সবাই
    হালকা ক্রেডিট :Intermediate Ict Book☺☺

    তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত নতুন নতুন টিপস পেতে Tokbd.Com ভিজিট করুন…

    Source: Technology

    Add a Comment